নিঃশব্দ অনুভূতি


কি রে এই মেঘা কি হলো কাঁদছিস কেন ? 

কোথায়! কিছু হয়নি তো ...

মেঘার কথাটা যেন হাওয়ায় ভেসে গেলে পেঁজা তুলোর মত। কিন্তু আর্যর অতবড় ভুল হয়না সাধারণত। ও স্পষ্ট শুনলো মেঘার গলায় কান্নার রেশ। কিছুক্ষন আগেই যেন একপশলা নেমেছিল, মাটি এখনো বেশ ভিজে। সেই অবস্থাতেই নাক টেনে নিজেকে স্বাভাবিক করে নিলো মেঘা। 

বল আর্য ,আজ অফিস নেই তোর? ছুটি বুঝি?

আমি অফিস থেকেই কল করছি তোকে। তুই কোথায় ? স্কুলে তো গরমের ছুটি চলছে ....বেশ আছিস মাইরি।ছাত্র পেটাচ্ছিস আর ছুটি খাচ্ছিস।

বাজে বকিস না, ছাত্র পেটানো সেই বিদ্যাসাগরের যুগে ছিল। এখন জোর গলায় কথা বললে, হাজতে পচতে হবে বুঝলি !!

দিনরাত তো আই টি সেক্টরের খাটুনির গল্প করিস একবারও তো অলটাইম এসিতে থাকার ইতিহাসটা বলিস না?

আমাদের স্কুলে গোটা ক্লাসে মাত্র দুটো ফ্যান। যখন ইচ্ছে হয় জোরে চলে,নাহলে মালগাড়ি ...

আর্য বললো, ঝগড়ায় তুই পিটি উষা।

আরেকটু গলা চড়িয়ে মেঘা বললো,এই যে জি .কে মাস্টার! পিটি উষা ঝগড়ায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তোকে কে বলল রে ?

ঐ হলো, মহিলা যখন,তখন শুধু কি দৌড়াতো? ঝগড়াও নিশ্চয় করতো। তোরা তো আবার এতে গোল্ড মেডেলিস্ট।

এই আর্য, তোর অফিস কি ভাট বকার জন্য তোকে মাইনে দেয় রে ? আমি এখন সুচিত্রা ভট্টাচার্য পড়ছি ,তুই ফোনটা রাখ তো। 

আর্য আরেকটু রাগানোর জন্য বললো, পাক্কা ফেমিনিস্ট বই বাছার সময়ও পক্ষপাতিত্ব।

মানে ? বলে চিৎকার করার আগেই ফোনটা কেটে দিলো আর্য। 

হোয়াটস আপে ছোট্ট msg ঢুকলো , জানোয়ার,ছোটলোক ...লাঞ্চ করে নিস। আর লাঞ্চে ঐ বাসী স্যান্ডউইচ খাবি না কিন্তু।

এই msg টা আজ তিনবছর একই ভাবে ঢুকছে আর্যর ফোনে। শুধু মাঝে মাঝে একটু সফ্ট ওয়েতে। তবে বেশির ভাগ সময় আর্যর নামের আগে এই বিশেষ বিশেষণ ব্যবহার করা হয়। 


আর্য আর মেঘার বন্ধুত্বটাও হয়েছিল বেশ নাটকীয় ভাবে।

মেঘা আর কাকিমা.. মানে মেঘার মা ফিরছিল ওর মামার বাড়ি বহরমপুর থেকে। আর্যও গিয়েছিলো ওদের কোম্পানির একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে। হঠাৎই ট্রেনে কাকিমা অসুস্থ হয়ে পড়েন। 

আর্য নিজের বোতল থেকে ঠান্ডা জল ওনার মুখে চোখে দিয়েছিলো। মেঘকে জিজ্ঞেস করেছিল, ওনার ডায়াবেটিস আছে কিনা ?

মেঘা হ্যাঁ বলায় কাল বিলম্ব না করে ,কাকিমাকে নিজের টিফিন বক্স থেকে দুটো মিষ্টি বের করে খাইয়ে দিয়েছিলো। মেঘা রেগে গিয়ে বলেছিলো , ডায়াবেটিস পেশেন্টকে মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন কেন ? 

উত্তর না দিয়েই নিজের কাজ করেছিল আর্য। কলকাতায় ওদের সাথেই ফিরছিলো ও। 

সেই প্রথম মেঘাদের বাড়িতে যাওয়া।

ওদের ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান দেখে বলেছিলো , ঐ সময় মিষ্টি জাতীয় কিছু খাওয়ানোটা একদম সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।

তারপর থেকেই ফোনে আর হোয়াটসআপে মেঘার সাথে টুকিটাকি কথা হতো। 

দেখতে দেখতে ওরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে গিয়েছিলো।এখনতো মেঘার দিদিমণিগিরি ওর ছাত্রীদের সাথে আর্যকেও মেনে চলতে হয়।


একদিন ওরা সারারাত গল্প করেছিল ফোনে। সেদিন মেঘা অনেক কেঁদেছিল আর্যর কাছে, সুদীপ্তর জন্য। মেঘার প্রেমিক সুদীপ্ত লাহিড়ী। একজন প্রতিষ্ঠিত বিজনেস ম্যান। মেঘার সাথে সুদীপ্তর প্রেম প্রায় সাত আট বছরের। যদিও ওদের সব গল্প শুনে আর্য বুঝতে পেরেছিল প্রেমটা কিছুটা একতরফা। মেঘা খুব ভালোবাসে সুদীপ্তকে। আর ওদিকে মেঘা হয়তো সুদীপ্তর অভ্যাস। মেঘা দিনে বার তিনেক ফোন করে সুদীপ্তকে। বেশির ভাগ সময় সুদীপ্ত বলে,সে এখন ব্যস্ত আছে ফোনটা রাখতে। 

মেঘা নিজের কাছেই প্রতিজ্ঞা করে, আর কল করবে না সুদীপ্তকে।কিন্তু গোলমাল বাঁধায় নাছোড়বান্দা গোলাপি বিকেলগুলো। বারবার শুনতে ইচ্ছে করে সুদীপ্তর গলাটা। একবার যদি সুদীপ্ত ভালো করে কথা বলে তাহলে মেঘার মুখের চেহারাই বদলে যায় যেন।

মেঘার মত এত সুন্দর, মিষ্টি, কেয়ারিং মেয়েকে পেয়েও কেন যে অবহেলা করে সুদীপ্ত ,সেটা আজও আর্যর কাছে পরিষ্কার নয়!

সুদীপ্তর গল্প মেঘার মুখে শুনতে শুনতে মানুষটার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয়ে গেছে আর্যর। 

সুদীপ্তর কথা বলতে বলতে কখনো মেঘা আল্লাদে হেসে ওঠে ,কখনো আবার বেদনায় ওর গলা ভারী হয়ে ওঠে।  

আর্য এখন মেঘার গলা শুনলেই বুঝতে পারে ও কেমন আছে।

কিন্তু একটা অতি সাধারণ জিনিস কিছুতেই বুঝতে পারেনা ,কেন মেঘার মুখে সুদীপ্ত নামটা শুনলেই বুকের বাঁ দিকে একটা চিনচিনে ব্যাথা টের পায় আজকাল !!


দুপুর তিনটেয় মেঘার ফোন ...

এই আর্য বল না ,আজ কি রঙের সালোয়ার পরবো?

আর্য কোনো কিছু না ভেবেই বললো , সাদা কালো কম্বিনেশনএ কিছু পর ।সামারে হিট হয়ে যাবে । 

প্রথম প্রথম ওরা তুমি করে কথা বলতো ।একদিন মেঘাই বললো , দেখ বস !আমার বন্ধুকে তুমি ,আপনি বললে কেমন হিব্রুতে কথা বলছি মনে হয়। তাই তুইতে স্টেবেল করি।

আর্যর কাছে মেঘা তো কোনো কেমিক্যাল মেশানো পারফিউম নয় ,ফ্রেস জুঁইয়ের এক ঝলক ঠান্ডা বাতাস। তার পাশে ওদের অফিসের নিখুঁত ম্যানিকিওর পেডিকিওর করা ,ব্রাউন চোখের ফটোজনিক রিচার স্থান নেই।

মেঘার দুটো ভ্রুর মাঝে ছোট্ট কালো টিপটা যেন বাঙময়। বারবার ডাকে আর্যকে। না বলা কথার শব্দগুলোকে সাজাতে বলে যেন। আর্য রুবিকিউবের মতো দুটো সাইড সাজিয়েও ফেলেছিল অনেকবার।কিন্তু তারপরই সুদীপ্ত নামটা এসে নিমেষে এলোমেলো করে দিয়েছিলো , ওর সাজানো হলুদ সবুজ রংগুলোকে।

আজ হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করছিস কি পরবি?

নিশ্চয় তোর স্কুলের ঐ ফাঁকিবাজ দিদিমণি রেখার সাথে পোস্ত দেখতে যাচ্ছিস।

অন্য সময় রেখাকে ফাঁকিবাজ বললে একহাত নিয়ে নিতো মেঘা, কিন্তু আজ যেন কিছুটা অন্যমনস্ক। 

রেখা মেয়েটা ভীষণ ভালো। ছেলেমেয়েদের জন্য বড্ড খাটে। কিন্তু রোগ একটাই , পড়া না পারলে ক্লাস ইলেভেনের মেয়েদেরও বাইরে কান ধরে দাঁড় করিয়ে দেয়। এই নিয়ে মেয়েরা মাঝে মাঝেই রেখার ক্লাসে প্রেজেন্ট থাকে না। এসব গল্প অবশ্য সবই মেঘার কাছেই শোনা আর্যর। আর্য আর মেঘার গল্পের যেন কোনো শেষ নেই। রাস্তার ধারের ফলওয়ালা থেকে বেশি ঝাল দেওয়া ফুচকা খেয়ে হেঁচকি ওঠা পর্যন্ত ওদের গল্পে স্থান পায়।

কি রে বললি না তো আজ কোথায় যাচ্ছিস ,যে পোশাক নিয়ে এতো কনফিউশন?

মেঘা উচ্ছসিত হয়ে বললো,আজ প্রায় চারমাস পর সুদীপ্তর সময় হয়েছে রে দেখা করতে আসবে। 

গলায় একটা আহ্লাদী আদুরে মেয়ে ভর করেছে যেন। 

আর্য থমকে গেল ! বরাবর মেঘাকে নিয়ে রংতুলির আঁচড় দিতে গেলেই সুদীপ্ত নামটা জলরঙ দিয়ে ধুয়ে দেয় আর্যর রঙিন কল্পনাগুলোকে।

মেঘা বেশ তাড়ায় আছে। তার মধ্যেই বললো , ড্রেস পরে প্রথম ছবিটা তোর হোয়াটস আপেই পাঠাচ্ছি রে। 

নিভৃতে রক্তক্ষরণটা কোনোদিনই মেঘাকে দেখতে দেয়নি আর্য।

একসাথে মুভি দেখতে গিয়ে পপকর্ণের প্যাকেটে যখন মেঘার হাত ছুঁয়েছে , গরমের দিনে যখন নিজের রুমাল বের করে দিয়েছে ওর মুখ মোছার জন্য ,অথবা পাশাপাশি হাঁটার ফাঁকে আলতো স্পর্শের অনুভূতি গুলো সযত্নে লুকিয়ে রেখেছে আর্য। কোনোভাবেই যাতে সেগুলো মেঘার দৃষ্টিগোচর না হয় সেদিকে ওর তীক্ষ্ণ নজর। বন্ধু কথাটা ছোট্ট হলেও ভীষণ ভার বহন করতে হয় যে।

প্রেমিকের আবেগে ভাটা পড়তেই পারে কিন্তু বন্ধুত্বের দায়িত্ব অনেক।

হোয়াটস আপ এ মেঘার সাদা কালো চুড়িদার পরা ছবিটা আবছা দেখতে পাচ্ছে আর্য। নেট স্লো হয়তো তাই লোড হতে সময় নিচ্ছে।

সেকেন্ডের হিসেবেগুলো মাঝে মাঝে কয়েক আলোকবর্ষএর থেকেও বেশি সময় নেয়। মেঘার ছবিটা পরিষ্কার হলো , মিষ্টি করে লাজুক হাসছে মেঘা। অনেক প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ সুদীপ্ত আর মেঘা এক হতে চলেছে।

আর্যর অনেক শুভকামনা দেওয়া উচিত ছিলো বন্ধু হিসাবে। দুবার টাইপও করতে গেলো ,সুদীপ্ত ফিদা হয়ে যাবে দেখিস।

নিজের অজান্তেই মুছে দিয়ে লিখলো, ফিদা হয়ে যাবে সবাই। শুধু আমি ব্যতিক্রম। 

জিভ বের করা ভ্যাংচানোর ইমোজি পাঠালো মেঘা।


আজ আর লাঞ্চ করে নেবার ,বাসী খাবার খেতে বারণ করার হুমকি দেওয়া msgটা ঢুকলো না আর্যর হোয়াটসআপে। সময় পায়নি হয়তো পাগলীটা। নিজের মনেই হেসে উঠলো আর্য।


সন্ধের কলকাতার হাজার আলোর মাঝে একরাশ অন্ধকারকে সঙ্গী করে আর্য একলা পায়ে হেঁটে চলেছে।গন্তব্যহীন, অফুরন্ত যেন সে পথ। 

যাবার আগে মেঘা বলেছিলো,নজর দিস না আর্য ,আমার সুদীপ্তকে। সুদীপ্তর বেশ কিছু ছবি দেখেছিল আর্য। বেশ অহংকারী মুখ ,নিজের ওপর আস্থা থাকলেই হয়তো অমন চোখে তাকানো যায়। 

কি আশ্চর্য ! সুদীপ্তকে না চিনেই কি হিংসা করতে শুরু করছে আর্য !!

প্রায় ফাঁকা ট্রামে উঠে পরলো আর্য। আজ আর ট্যাক্সিতে চড়তে ইচ্ছে হলো না। কত দিন ট্রামে চড়েনি।মেঘারও ভীষণ পছন্দের ট্রামের এই ঘন্টির আওয়াজটা। হাতে গোনা গোটা নয়েক প্যাসেঞ্জার রয়েছে ট্রামে। 

আজকাল ওলা -উবেরের দৌলতে ফিরতি পথের  ট্রাম কিছুটা ফাঁকা রয়েছে। 

জানালার ধারের সাদা কালো চুড়িদারটা বেশ চেনা লাগছে যেন। মেঘা !! 

আর্য যে ওর একবারে পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে সেটা বুঝতেও পারলো না মেঘা।

দুটো কাজল কালো চোখ দিয়ে বড় বড় বৃষ্টির ফোঁটার মত জল গড়িয়ে নামছে ,ওর গাল বেয়ে সেগুলো চিবুক ছুঁতে যাচ্ছে। নিখুঁত সাজের কাজল আপাতত ঘেঁটে গেছে। দাঁত দিয়ে চেপে ধরে আছে ওর গোলাপি লিপস্টিক দেওয়া ঠোঁটের নিচের অংশটা।  আর্য আলতো করে হাত রাখতো ওর কাঁধে । অন্যকোনো আশঙ্কায় ও কেঁপে উঠলো একটু । 

একমুঠো আকাশকে যেন মুঠোয় ভরেছে এমন ভাবেই থাকলো এই মুহূর্তে আর্য কে পাশে পেয়ে ।

আর্য বললো ,একটা ছবি তুলি ! এই ছিচকাদুনে দিদিমনির ছবি fb তে দেখে ছাত্রীরা কি কমেন্ট করে দেখতে ইচ্ছে করছে খুব !

টলটলে জল ভর্তি চোখ নিয়েও হেসে ফেললো মেঘা।

আর্য গম্ভীর ভাবে বললো ,জলটা মোছ... সবাই ভাবছে তুই একমাস শপিং করিস নি তাই কাঁদছিস।

মেঘা রেগে গিয়ে একটা ঘুষি বসালো আর্যর পিঠে।

মেঘা বললো ,সুদীপ্ত জানিয়ে দিল রে ও আমাকে বিয়ে করতে পারবে না ।ওর বাবার বন্ধুর মেয়েকে বিয়ে করবে।বিয়ের পর শ্বশুরের ব্যবসাটাও নাকি ওর হবে। 

আর্য হেসে বললো ,এতদিনে সুদীপ্ত একটা পুরুষের মত কাজ করলো । আমার তরফ থেকে অনেক অভিনন্দন ওকে ।

মেঘা হাঁ করে তাকিয়ে আছে আর্যর দিকে ।ওর এই কষ্টের দিনে আর্যর এত আনন্দের কারণটা ঠিক কি ?

আর্য বললো ,শোন মেঘা ..আজকের পর থেকে আমি আর ঐ সুদীপ্ত নামটা তোর মুখ থেকে জাস্ট শুনতেও চাই না। 

সুদীপ্ত নামটা যদি না মুছতে পারিস তাহলে আমাদের বন্ধুত্বেরও ইতি টেনে দে। 

মেঘা তাকিয়ে আছে আর্যর দিকে। 

এ এক অচেনা আর্য !

বহুদিন ধরে ওই সুদীপ্ত নামের ছেলেটা তোকে নিয়মিত অপমান করে যাচ্ছে, আমি চুপচাপ সহ্য করে চলেছি , আর কিছুতেই আমি ওর কাছে তোকে ছোট হতে দেব না। 

আর্যর বলা কথাগুলো যেন অনেকক্ষন পর মেঘাকে নিঃশ্বাস নিতে সাহায্য করলো। ট্রামের ঘণ্টিটা বাজছে ...

মেঘার সিক্সসেন্স বলছে আর্য আজ আরও কিছু বলতে চায় !মনে মনে ঈশ্বরকে ডাকলো মেঘা ,মনে মনে বললো ,আজ নয় আর্য। তোর যদি কিছু বলারও থাকে সেটা অন্যদিন বলিস। সুদীপ্তর ফেলে যাওয়া জায়গা পূরণের জন্য তুই আসিস না প্লিস। তুই আসিস সম্পর্কের নতুন সমীকরণ নিয়ে। শূন্যস্থান পূরণ করতে নয়, আসিস গোটা মন জুড়ে, নিজের অস্তিত্ব নিয়ে। 

চল তোকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসি। আর কাকিমার হাতের এককাপ চা খেয়েই না হয় আসবো।

দয়া করে আর ফ্যাচফ্যাচ করে কেঁদে সুনামি ডেকো না।

ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলো মেঘা। 

আর্য উজ্জ্বল থাকুক গোটা আকাশ জুড়ে ,ধ্রুবতারার মত।  মুখে বলা প্রপোজালে নয় ওর ভালোবাসা অমরত্ব পাক নিঃশব্দ  অনুভূতিতে।

রাকেশ ঘোষাল

Comments

Popular posts from this blog

গ্রীষ্মের_ছুটিতে ছাত্রের লেখা খোলা চিঠি