Posts

Showing posts from September, 2022

Kaka

অদিতি

অদিতি

Image

Taiwan earthquake

Image
তাইওয়ানে ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) যার জেরে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শক্তিশালী কম্পনের ফলে বেশ কয়েকটি ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়ে গিয়েছে এবং কয়েকটি বহুতল ভবনও ভেঙে পড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন।সেই দেশের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তাইতুং শহর। তবে, তাইওয়ান জুড়েই কম্পন অনুভূত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যাতেও একই এলাকায় একটি ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই এই বড় মাপের ভূমিকম্প অনুভূত হল। মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কম্পনের পরই তাইওয়ানে সুনামির সতর্কতা জারি করেছে। তারা জানিয়েছে, তাইওয়ানের উপকূল বরাবর ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের ৩০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বিপজ্জনক সুনামির ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি দুপুর ২টো বেজে ৪৪ মিনিট নাগাদ তাইতুং থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তরে মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হেনেছিল।জাপানের আবহাওয়া সংস্থা ভূমিকম্পের পর ওকিনাওয়া এলাকায় ১ মিটার উচ্চতার সুনামি ঢেউয়ের সতর্কত...

লাইভ নিউজ

Image

🏧 লুট

Image

Water Monster

Image

আজকের তাজা খবর

Image

উচিত কথা শুনতে কেমন কেমন লাগে

Image

কি বলছেন একটু শুনুন

Image

অশোক কে ছিলেন

Image

নেপাল part 3

Image

১০০০ টাকার ব্যবসা নিয়ে কি বলছে শুনুন

Image

Romantic Songs

Image

Every Year Vishwakarma 17 September

উ ত্‍সব প্রিয় বাঙালির বারো মাসে ১৩টা পার্বণের মতো নানান উত্‍সব লেগে রয়েছে। বছরের প্রথমে নতুন ক্যালেন্ডার হাতে পাওয়া মাত্র অনেকেই মিলিয়ে দেখেন কোন মাসে কোন উত্‍সব পড়েছে। দুর্গোত্‍সব, কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো থেকে শুরু করে নানান উত্‍সবের তিথি এবং তারিখ বছর ভেদে আলাদা হয়। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে প্রতিবছর নিয়ম মেনে ১৭ই সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করা হয়। বিশ্বকর্মাকে বলা হয় শিল্পের দেবতা। সাধারণত বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান, কারখানা, দোকান কিংবা যন্ত্রপাতি আছে এমন স্থানে বিশ্বকর্মার আরাধনা করা হয়। আবার অনেকে বাড়িতে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করেন। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তৈরি করেছিলেন ব্রহ্মা, আর তার নকশা বানিয়েছিলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। ২০২২ সালে বিশ্বকর্মা পুজো পড়েছে ১৭ই সেপ্টেম্বর শনিবার। সাধারণত হিন্দু ধর্মে দেবদেবীদের পুজোর তিথি ঠিক হয় চাঁদের গতি প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। অপরদিকে বিশ্বকর্মা পুজোর তিথি ঠিক হয় সূর্যের গতি প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। সূর্য রাশি সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে গমন করার করলে উত্তরায়ণ শুরু হয়। এই উত্তরায়ণ শুরুর দিনই বিশ্বকর্মা পুজো...

Free Health Treatment

স রকারের বহু প্রকল্প রয়েছে যার সুবিধা সরাসরি আম জনতার কাছে পৌঁছে যায়। সাধারণ মানুষকে অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করতে অনেক প্রকল্পই নতুন ভাবে উপস্থাপন করে সরকার। অনেক সময় আবার নতুন প্রকল্প চালু করে সরকার। এমনই ভাবে এবার আম জনতার জন্য বিনামূল্যে চিকিত্‍সার জন্য এক নয়া নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। তবে এর সুবিধা কীভাবে পাবেন? জেনে নিন বিস্তারিত… আপনি যদি রাজ্য সরকারের বা কেন্দ্রীয় সরকারের স্কিমের মাধ্যমে বিনামূল্যে রেশন পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি বিনামূল্য চিকিত্‍সা পরিষেবার সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনি যোগ্য হবেন। বিপিএল রেশন কার্ডধারী মানুষদের বিনামূল্যে চিকিত্‍সা পরিষেবা পাওয়ার জন্য একটি আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি করতে হবে। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সমস্ত বিপিএল রেশন কার্ডধারীদের বিনামূল্যে চিকিত্‍সার জন্য আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি করা হবে। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে। আপনি জনসুবিধা কেন্দ্রে গিয়ে এই কার্ড তৈরি করাতে পারেন। সরকারের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিত্‍সা পাবেন সমস্ত আয়ুষ্মান কার্ডধারীরা। সরকারের অন্তোদয় অন্ন প্রকল্পের সুবিধা না পেয়ে থাকলে অবশ্য কেউ এই...

Chandan Sen

Image
এ কটি মেঘের সঙ্গে এক একাকী মানুষের প্রেম। এমন গল্প নিয়ে আগে কখনও ছবি তৈরি হয়নি বড় পর্দায়। এটাই হয়তো প্রথমবার। সে রকমই একটি চিত্রনাট্য নিয়ে ছবি তৈরি করেছিলেন বাঙালি পরিচালক অভিনন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং সেই ছবিটি গত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্‍সবে এশিয়ার সেরা ছবি হিসেবে নেট প্যাক অ্যাওয়ার্ড  ছবির নাম ‘মানিকবাবুর মেঘ’। ছবিতে মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন অভিনেতা চন্দন সেন। ছবির ইংরেজি নাম ‘ক্লাউড অ্যান্ড ম্যান’। এবার ‘ক্লাউড অ্যান্ড ম্যান’ ছবির সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হল আরও এক পালক। রাশিয়ার প্যাসিফিক মেরিডিয়ান চলচ্চিত্র উত্‍সবে শ্রেষ্ঠ পুরুষ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন চন্দন সেন। তাঁর এবং ছবির এই সাফল্য নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজ়েনরা দারুণ খুশি চন্দনের এই সাফল্যে। TV9 বাংলা যোগাযোগ করেছিল চন্দনের সঙ্গে। স্বীকৃতি তো সবসময়ই আনন্দের হয়। কিন্তু তার সঙ্গে-সঙ্গে একটা বড় জিনিসও যুক্ত হয়। কারণ, মানুষ স্বীকৃতি যখন দেন, তাঁর কিছু চাহিদা থাকে। আমার কাছ থেকে তাঁরা আরও বেশি কিছু পেতে চান। সেই দায়িত্বের একটা ভার আছে। তাই স্বীকৃতির সঙ্গে দায়িত্ব...

Kishore Kumar

Image
 

India no 1

Image
 

Air Gun

Image
 

Gun

Image
 

Shoes

Image
 

Nepal part 2

Image
 

Nepal Tour

Image
 

পার্থ চট্টোপাধ্যায়

Image
 

The count of Monte Cristo part 1&2

Image
 

Sunday Suspense

Image
 

Modi ji

Image
 

Sign in & out of YouTube

Image
 Computer Sign-in Go to  youtube.com . In the top corner, click  Sign in . Sign out Go to  youtube.com . In the top corner, click your profile picture    Sign out . Android Sign-in Tap Account  . Tap  Sign in. Select an existing account, or tap  Accounts    to add a new account to your device. Iphone Or ipad Sign-in Tap Account  . Tap  Sign in. Select an existing account, or sign in with your account. Sign out  Tap your profile picture  . Tap your account name. Tap  Use YouTube signed out . Remove your Account Tap your profile picture  At the top, tap your account name. Tap  Manage accounts on this device . Tap  Remove from this device  under the account you wish to remove. You'll get a brief notification at the bottom of the screen that lets you know you've signed out of the app.

Doyal Baba

Image
 

Picture

Image
 

Beutiful Nature

Image
 

Golden lighing

Image
 

Rockey Mountain

Image
 

মূল্যায়ন

আজ একটি খ্যাতনামা ইংলিশমিডিয়াম স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান। গেটের চারিধারে নামীদামী সারীবদ্ধ গাড়ী। তারই মাঝদিয়ে একটি নীলবাতিওলা গাড়ী সোজা স্কুলে প্রবেশ করলো। গেটকিপাররা স্যালুট জানালো। বডিগাড কারের গেটটা খুলতেই নেমে এলেন ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবা মিস অনুপমা সেন। আজকের আমন্ত্রিত চিফ গেস্ট।  অতিথি আপ্যায়নে খামতি না রেখে সোজা নিয়ে যাওয়া হলো স্টেজে। স্টেজে আরও বিশিষ্ট অতিথিরা আছেন। সামনের সারিবদ্ধ চেয়ারগুলোতে সকল অভিভাবক সমেত ছাত্রছাত্রীরা এবং সকল স্কুল স্টাফেরা বসে। সরগরম স্কুল প্রাঙ্গন। প্রিন্সিপাল ম্যাডাম কিছু উদ্ভোদনী ভাষন দেওয়ার পরই ঘোষক প্রধান অতিথিকে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করলেন। পুষ্পস্তবকটি টেবিলে রেখে পোডিয়ামের লাউড স্পিকারের সামনে দাঁড়ালেন অনুপমাদেবী, অনুপমা সেন,  ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেট।  বহু সম্বোর্ধনা সভা বা প্রশাসনিক কাজে স্পিচ দিয়েছেন। ভাষন দেওয়াটা তার কাছে নিত্যকার ব্যাপার ।  কিন্তু আজ তাকে কেমন যেন একটু অন্যমনস্ক  দেখালো। সামান্য শ্রদ্ধাজ্ঞাপনপূর্বক কথা বলেই বললেন, আজ আপনাদের একটি গল্প বলতে চাই.... "ভবেশবাবু একজন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। অবসর...

চিঠি

' দীপ '  আঁত্ কে  উঠলে !! মন মানছেনা, তাই চিঠিটা পাঠাচ্ছি তোমাকে......। দয়িত ( দয়িত কুমার রায় ) আমার আরাধ্য দেবতা, ঘুমোচ্ছে।এই ফাঁকে পরিচয় পর্বটা চিঠিতে সেরে নিচ্ছি, কেমন !! ভেবোনা তোমাকে অপমান করছি। দু'দুবার চেষ্টা ক'রেও আলাপ হ'য়নি। তোমার দে'খাই পাইনি..... । ও এখন রবিনসন গ্লাস ফেক্টোরির জোন্যাল ম্যানেজার, কাজের ব্যস্ততা ভীষণ। ত'বে এভরী ফ্রাইডে পার্টিতে এটেন্ড ক'রি। ওর সে'দিনটা রেস্ট ডে। লেট নাইটে ঘরে ফিরি। কোন কিছুর অভাব বোধ ক'রিনা। বাড়ি, গাড়ি, শাড়ি,গয়না, মান-সম্মান,অর্থের প্রাচুর্য্যতা বেশ সাজিয়ে গুছিয়ে সংসার করছি...।অভাব শুধু বাকী ছ'টা দিন, ওকে একান্তভাবে কাছে পাইনা। গড়নে ফর্সা, লম্বা, ছিমছিমে চেহারা। বয়সের ফারাক আমার সাথে ওর আট বছরের..... । আমাদের বাংলোটা এখন হিলকিট টাউনে। ছোট্ট শহর। সাজানো-গোছানো। সমুদ্র, পাহাড় পাশেই,দূরত্ব মাইল তিনেক। ভাল না লাগলে, আমিই গাড়ি নিয়ে মাঝে মধ্যে বেড়িয়ে আসি..। ওই চালানো শিখিয়েছে আমাকে.....। রাত এখন বারোটা, কি অদ্ভুত দ্যাখো, তোমার ওখানে টকটকে রোদের উজ্জ্বলতা। কাজের ব্যস্ততা। রোদেগরমে ঘাম ঝরাচ্ছো।আর এখানে --নি:...

অনামিকা

আসলে কি জানো শুভময়, অহংকার আর আত্মসম্মানের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে, যেটা তুমি হয় বোঝো না, নয় বুঝতে চাও না। কথাগুলো সেদিন নির্লিপ্ত গলায় বলেছিল অনামিকা। অনামিকা ঐবাড়ির উত্তরের জানালার দিকে তাকিয়েই বলেছিলো, কি অদ্ভুত দেখো, যখন বিয়ের আগে তুমি দেখতে গিয়েছিলে তখন তুমি শুনেছিলে আমি চাকরি করি, মারাত্মক স্বাধীনচেতা। অপ্রিয় সত্যি বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাত্রী হিসাবে তখন কিন্তু তুমি আমায় বাতিল করে দাওনি। বরং বন্ধুদের কাছে এসে বেশ বড়াই করে বলেছিলে, আমার হবু বউ চাকরি করে, উচ্চশিক্ষিতা, সুন্দরী।  অদ্ভুতভাবে বিয়ের দিন দশেক পর থেকেই তোমাদের গোটা বাড়ির ব্যবহার বদলে যেতে শুরু করলো। আমি রোজই দেখতাম, তুমি যখন বেরোতে তোমার মা গেট অবধি এগিয়ে যেতো, টিফিন খেয়ে নিস বলতো, আর আধঘন্টা পরে আমি যখন বেরতাম তখন ভদ্রমহিলা বিরক্তিসূচক বাক্যে বলতেন, ফিরতে ফিরতে নিশ্চয়ই সন্ধে? যাক, ভালোই বউ জুটিয়েছি বটে।  বুঝতে শুরু করলাম, আমি মা ডাকলেও উনি মেয়ে ভাবতে পারতেন না। ইচ্ছে করেই দূরত্বটা মেটাতে চাননি। আমি বরাবরই আত্মসম্মানকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। সেটাই আমার বাবার শিক্ষা। অকারণে তবলার মত সব দিকে তাল দিয়...

থাক তবু স্মৃতিটুকু

      গোল্ডেন-ফ্রেমের হাই পাওয়ারের চশমাটা চোখ থেকে সামান্য নামিয়ে, চোখের কোনায় এসে যাওয়া জলের কণাটা আঙ্গুলের ডগায় মুছে ফেললেন মিসেস মল্লিকা সেন।একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল বুকের ভেতর থেকে। রথযাত্রার এই বিশেষ দিনটায় যে বিশেষ মানুষটার কথা স্মৃতিপটে আজও ভেসে ওঠে,সে মল্লিকার শৈশবের ভাললাগার একজন নিতান্ত সাধারণ ষাটোর্ধ্ব মানুষ।তার নাম,পদবী কোনটাই জানা ছিলনা।সারা পাড়ার আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সবাইকার কাছে ওর একটাই পরিচয় ছিল,ব‍্যানার্জীদের মালি।শুধু ‛মালি’বলেই ডাকতো সবাই।সবাইকার দেখাদেখি মল্লিকাও  মালি বলেই ডাকতেন ওকে।ব‍্যানার্জীদের বাড়িটা মল্লিকাদের বাড়ির লাগোয়া থাকলেও, বাগানটা ছিল একটু দূরে।নারকেল,আম,পেয়ারা, জাম,জামরুলের গাছে ভরা একটা ছোটখাট বাগান।বাগানটায় কোন বাউন্ডারী-ওয়াল না থাকায় পাড়ার ছেলে-মেয়েদের খেলার জায়গা ছিল ওটা।অবশ্য শুধু খেলা নয়,তার সঙ্গে চলতো বাগানের গাছগুলোর ওপর অত‍্যাচার।     মল্লিকা তখন সবে স্কুল যেতে শুরু করেছেন। শিশুশ্রেণীতে ভর্তি হয়েছেন কমাস আগেই।প্রাইমারীতে ইউনিফর্মের তখন কোন বালাই ছিল না।নিজের পছন্দের একটা লাল ফ্রক পরে কজন বন্ধুর সঙ্গে স্কুল থেকে ফির...

আবার দেখা

এই গল্পটা কোনও সিনেমার গল্প নয়। ভালোবাসার মানুষটাকে একদিন আচমকা হারিয়ে ফেলার পর যদি অনেকবছর পর আবার তার সাথে দেখা হয়? তখন সে অন্যকারও, আপনিও তাই। কী বলবেন তাকে? ৭২ বছর পর এক দুপুরবেলা মি.একনারায়ণন নাম্বিয়ারের সাথে দেখা হলো সারদাদেবীর। তাঁদের গল্পটা আজ একটু বলি বরং। সাল ১৯৪৬, মাত্র ১৪ বছর বয়সী সারাদাদেবীর সাথে বিয়ে হলো ১৮ বছর বয়সী একনারায়ণন নাম্বিয়ারের। ওইটুকু বয়সে মা-বাবাকে ছেড়ে আসা কিশোরী সারদার সমস্ত আব্দার মেটাতে সর্বদা প্রস্তুত থাকতেন একনারায়ণন। বিয়ের সবে তখন আটমাস পেরিয়েছে। বাবার মতোই ইংরেজ শাসক ও জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্থানীয় কৃষক বিদ্রোহে নাম লেখালেন একনারায়ণন। ১৯৪৬ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর কয়েকশো বিদ্রোহী কৃষকের সাথে আক্রমণ করলেন জমিদারের বাড়ি। কিন্তু সে খবর আগে থেকেই জানতেন জমিদার। এর ফলে ব্রিটিশ পুলিশবাহিনীর লোকেরা অপেক্ষা করছিলো বিদ্রোহীদের জন্য।  কেউ মারা গেলো পুলিশের গুলিতে। কেউ সাংঘাতিক আহত হলো। একনারায়ণন ও তাঁর বাবা সেখান থেকে পালালেও দু'মাস বাদে ধরা পড়লো ব্রিটিশ পুলিশবাহিনীর হাতে। ওদিকে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হলো সমস্ত বিদ্রোহী কৃষকের...

সোনার শাড়ি

আর কতটা হাঁটতে হবে বাবা ? -এই তো বড় রাস্তাটা পেইরেই ট্রেন ধরবো। -তালে আমরা কখন বাড়ি পৌঁছব?সন্ধ্যে হয়ে যাবে ? -না না ! বিকেলের মধ্যেই চলি যাবো।কেনো তোর বুঝি বাড়ির জন্যে মার জন্যে মন কেমন করসে ? -না না ! খুব মজা হচ্ছে ! মারে গিয়ে শাড়িটা দেবো..কত্ত খুশী হয়ে যাবে বলো বাবা ! -হাহাহাহ...তা তো হবেই ! তোর মায়ের এমন একখান শাড়ির কত দিনের ইচ্ছে ছিলো। -তাড়াতাড়ি চলো বাবা! তাড়াতাড়ি। -পাগল ছেলে আমার..হ্যাঁরে এই পেরথম বার তোরে কলকাতায় নিয়ে এলুম,কাঁসর বাজাবি বলে,তোর ভাল লেগেছে ? -হ্যাঁ ভাল লাগবেনে..কত্ত পুজো,কত্ত মানুষ কত্ত আলো কত্ত কিছু..আমাদের গ্রামে এত্ত কিছু কইইই..। -মা ও মা  মাআআআআ... -চলে এসেছিস বাবা ?  -হ্যাঁ মা ! কত্ত ঠাকুর গো মা বড় বড়..সামনের বছর আমরা তিন জন মিলে যাবো কেমন ? -হ্যাঁরে তোর হাত ব্যথা হয়নি তো ? বাজাতে পেরেছিলি? -হ্যাঁ মা ! পেরেছি তো ! কতজন তো আমায় খুশী হয়ে দশটাকা করে দিয়েছে.. আচ্ছা এবার তুমি চোখ বন্ধ করো মা.. -চোখ বন্ধ ? কেনো রে বাবু ? -উফ্ করো না ! -আচ্ছা নে দিকিনি..ঝটপট নে! মেলা কাজ পরে আছে আমার! -চোখ খোলো মা... -ওমা এত ভাল শাড়ি ?? কোথায় পেলি ?এত অনেক দাম রে ! -ভাল হয়েছ...

কেন পতিতালয়ের মাটি দিয়ে গড়া হয় দেবী প্রতিমা

সেই পুরাকাল থেকে আজও দেবীর মূর্তি তৈরিতে দরকার হয় বেশ্যালয়ের মাটি ৷ কিন্তু কেন এই রীতি ?      একদিকে পবিত্রতা, শুভ্রতার প্রতিমূর্তি মা দুর্গা, অন্যদিকে তাঁর মূর্তি তৈরিতেই দরকার হয় তথা কথিত ‘অশুচি’, ‘অপবিত্র’ এলাকার মাটির ৷ এক পুজো চলে যেতেই শুরু হয়ে যায় পরের বছরের পুজোর প্রস্তুতি ৷ পুজোর কয়েক মাস আগে থেকেই কুমোরপাড়ায় ব্যস্ততা ওঠে তুঙ্গে ৷ কাদা মাখা শিল্পী হাত থামতেই চায় না ৷ মৃন্ময়ীরূপে জেগে ওঠেন মা দুর্গা ৷  একমেটে, দোমেটে থেকে ধাপে ধাপে পূর্ণ অবয়বে ফুটে ওঠেন তিনি ৷ কিন্তু শাস্ত্র বলে সেই আদলকে ফুটিয়ে তুলতে কয়েকটি জিনিস আবশ্যক ৷ যেমন, গাভীর মূত্র, গোবর, ধানের শিস, পবিত্র গঙ্গার জল আর নিষিদ্ধপল্লীর মাটির মিশ্রণে তৈরি হবে দেবীমূর্তি ৷ আর সেই কারণেই সেই পুরাকাল থেকে আজও দেবীর মূর্তি তৈরিতে দরকার হয় বেশ্যালয়ের মাটি ৷ কিন্তু কেন এই রীতি?  সমাজে যাঁদের দূরে ঠেলে দিয়েছে, অবজ্ঞা আর বঞ্চনার পাহাড় জমে উঠেছে যাঁদের দেওয়াল বেয়ে, ঘৃণা আর নোংরা দৃষ্টি ছাড়া যাঁদের ভাগ্যে আর কিছুই জোটেনি তাঁদের ঘরের মাটিই আবার দেবীমূর্তির অপরিহার্য অঙ্গ ৷  কিন্তু কেন ...

বিনয়ী

ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়কে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টরেট উপাধি দিয়েছিল, রাহুল দ্রাবিড় সেটা ফিরিয়ে দিয়েছেন। শুধু ফিরিয়ে দিয়েছেন তা নয়, তারসাথে চমৎকার একটি বক্তব্য দিয়েছেন, তিনি বলেছেন- আমার স্ত্রী ডাক্তার, সে এই উপাধি পেতে অসংখ্য বিনিদ্র রজনী ও দিবস কাটিয়েছে।  আমার মা কলা বিভাগের অধ্যাপক, তিনি এই ডিগ্রীর জন্য দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর অপেক্ষা করেছেন, অধ্যবসায় করেছেন। ক্রিকেট খেলতে অনেক পরিশ্রম করেছি ঠিক, কিন্তু সেই পরিমাণ পড়াশুনা আমি করিনি, কাজেই এই ডিগ্রী আমি নেই কীভাবে?  আইনস্টাইনকে ইসরায়েল সরকার ১৯৫২ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আইনস্টাইন বিনীতভাবে বলেছিলেন- আমি ফিজিক্সের আনাড়ি ছাত্র। রাষ্ট্র পরিচালনার আমি কি বুঝি?  পেরেলমান নামের জগতবিখ্যাত গণিতবিদ সারা পৃথিবীতে গণিত বিষয়ের নোবেল পুরস্কার বলে পরিচিত ফিল্ড মেডেল এবং পুরস্কারের বিশাল অর্থ ফেরত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন- খুব অভাবের সংসার ছিল আমাদের। মায়ের পয়সা বাঁচাতে হিসেব করে চলতে হতো আমাদের। সেইসূত্রে গনিতে একটু দক্ষতা দেখাতে পেরেছি। এখন সেই অভাব নেই, কাজেই এতো অর্থ দিয়ে কি করবো?  এই মানুষগুলির বিনয় ...

টিউশন

কি রে বাবলু তুই কাঁদছিস কেন? 'স্যার মেরেছে...' বলে পরিত্রাহি চিৎকার করছে বাবলু। বাবলুর মা সাথী বিরক্ত মুখে বললো, মারলে কেন প্রদীপ? এই মহিলাকে এমনিতেই একটু ভয় ভয় পায় প্রদীপ। মহিলার গলার স্বরে এমন কিছু আছে যাতে ভয় পেতে বাধ্য। তবুও একটু সামলে নিয়ে প্রদীপ বললো, আসলে বৌদি, বাবলু আজ তিনদিন ধরে বিজ্ঞান পড়াটা করছে না। রোজই কিছু না কিছু অজুহাত দিচ্ছে। তাই বিরক্ত হয়ে.... ওর কথাটা শেষ হবার আগেই বাবলুর মা বললেন, আসলে কি বলতো, তোমাদের মত ছেলেদের এই এক সমস্যা। চাকরি-বাকরি পাওনি, টিউশন করেই কাটাতে হবে বুঝেছো, সেই ফ্রাস্ট্রেশনটা স্টুডেন্টের ওপরে মেটাচ্ছ। চমকে উঠেছিল ফিজিক্সে ফার্স্টক্লাস পাওয়া, এমএসসি করা প্রদীপ। মহিলা সম্ভবত গ্র্যাজুয়েট। বাবলুর বাবা নামি কোম্পানিতে কর্মরত। তাই অর্থের কোনো অভাব নেই। এই সাথীদেবী বোধহয় ভাবতে শুরু করেছেন, স্বামীর উপার্জিত অর্থ ওনারই বিদ্যের দান। মুখে অনেকগুলো কথা একসঙ্গে এসে গিয়েছিল প্রদীপের। কোনোক্রমে নিজেকে সামলে নিলো ও।  বাবলু ক্লাস সেভেনের স্টুডেন্ট। সায়েন্স গ্রুপটা পড়ায় ও। মাস গেলে কড়কড়ে আটশো টাকা গুনে দেয়। তাই কিছু কথা গলার কাছেই আটকাতে হয় কৌশলে। বাড়ি ফিরলে...

নন্দা

  "আর দুশোটা টাকা বেশি দেবেন বাবু?" নন্দার কথায় বেশ রেগে গেলো গিন্নি।-"হ্যাঁ রে নন্দা আগের মাসেই তো‌ তোর মাইনে দুশো টাকা বাড়িয়ে দিলাম আবার দুশো টাকা বেশি!তোর তো দেখছি কিছুতেই দাবি মেটে না আর।" গিন্নিকে বললাম-"আহা গিন্নি এতো রাগ করলে চলে?" নন্দাকে আরো দুশো টাকা দিয়ে দিলাম।ওর মুখে দেখলাম তখন কি খুশির হাসি।টাকাটা নিয়ে ও ব্যস্ত হয়ে পড়লো ঘরের কাজে। নন্দা মেয়েটা বেশ চুপচাপ তেমন কথা বলে না,একমনে নিজের কাজ করে বেরিয়ে পড়ে অন্য বাড়ির কাজে।সব সময় সে কাজ করে চলে,যেনো ওর ক্লান্তি নেই।নন্দা এ বাড়িতে কাজে এসেছে মাস ছয়েক হলো।আগে একজন কাজ করতো সে কাছ ছাড়ার সময় নন্দাকে কাজটা দিয়ে গেছিল।নন্দা তাড়াতাড়ি করে কাজ করলেও নন্দার কাজ বেশ পরিষ্কার আর গুছানো তাই গিন্নিও আর আপত্তি করেনি। সেদিন বসার ঘরে ঢুকতেই অবাক হলাম দেখে আমাদের বাড়ির কাজের মেয়ে নন্দা আমার ইংরেজি খবরের কাগজটা মন দিয়ে পড়ছে।জিজ্ঞেস করলাম-"কিরে নন্দা তুই ইংরেজি কাগজ পড়তে পারিস?" নন্দা শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি জানালো।বললাম-"কতো দূর লেখাপড়া শিখেছিস তুই?" নন্দা বললো-"মাধ্যমিক...

অভিযোগ

এখনকার ছেলেমেয়েদের মুখে অনেক শুনেছি, বড়ো বাড়ির মেয়ে বা সুন্দরী মেয়ে মানে অহংকারী, বড়ো বাড়ির ছেলের প্রপোজ একসেপ্ট না করে গরীব বাড়ির ছেলের সাথে বিয়ে করা মানে বড়ো আফসোস, স্কুলের স্যাররা স্বার্থপর ফার্স্ট বেঞ্চের ছেলেদের বেশি নাম্বার দেয়।  এগুলো কি সত্যিই? ইউটিউব বা ফেসবুকে প্রায়ই একধরনের স্টোরি ভিডিও দেখতে পাই,যেখানে দেখানো হয় একজন গরীব বাড়ির ছেলে একটা মেয়েকে ভালোবাসে তবে মেয়েটা তাকে পাত্তা দেয় না, কিন্তু বছর কয়েক পরে গরীব ছেলেটা যে অফিসের মালিক মেয়েটার স্বামী সেই অফিসের কর্মচারি। বিষয়টা এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন মেয়েটা বাকি জীবন এটা নিয়ে আফসোস করবে যে কেন ওই ছেলেটাকে বিয়ে করল না। কী তাইতো?  সত্যিই কী বাস্তবে এমন হয়? হয় হয়তো কিন্তু আমি এক দিদিভাইকে চিনি যার বিয়ের আগে পাড়ার এক দাদা তার পেছন পেছন ঘুরত। দিভাই পাত্তা দিতেন না। এক সময় দিদিভাইয়ের বিয়ে হয়ে যায়। বছরখানেক পরে দিদিভাইয়ের পেছনে ঘোরা সেই দাদাটি সরকারি চাকরি পেয়ে যান। দেখতে দেখতে সেই দাদার বাড়ি গাড়ি হয়ে যায়। বলতে গেলে দিদিভাইয়ের হাসবেন্ডের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থা। দিদিভাই বাবার বাড়ি আসলে সেই দাদা দামী বাইক নি...

গরিবের ভালোবাসা

গরিব পরিবারের একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটি গরিব মেয়ের বিয়ে হয়!  ছেলেটার বয়স ২১ বছরের মত, আর মেয়েটার বয়স ১৬ বছর!  বিয়ের পর ছেলেটা মেয়েটিকে বললেন, তোমার কি কোন ইচ্ছে আছে? .  মেয়েটা বলল, আমার ইন্জিনিয়ার হওয়ার বড় আশা ছিল! এরপর ছেলেটা মেয়েটাকে নিয়ে কোলকাতায় চলে আসে। মেয়েটিকে  উনিভার্সিটিতে ভর্তি করিয়ে লেখাপড়া করায়।  ছেলেটা ভোর ৪ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিশ্রম করে। মেয়েটার লেখাপড়ার খরচ আর সংসার খরচ চালায়। .  অনেকদিন হওয়ার পরও তাদের মধ্যে কোন স্বামী স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হয় না!  মেয়েটার বন্ধু বান্ধব প্রশ্ন করে ছেলেটা কে?  মেয়েটা উত্তর দেয়,সে আমার ভাই! ছেলেটা কখনো রিক্সা চালায়, কখনো দিন মজুরি করে, কখনো ইট ভাটায় কাজ করে, আবার কখনো কুলির কাজ করে l  নিজের কথা না ভেবে তার জন্য টাকা রোজগার করে মেয়েটাকে ইন্জিনিয়ার বানানো জন্য! . হঠাৎ পরীক্ষা চলে আসলো! মেয়েটার ও ছেলেটার কারও চোখে ঘুম নেই। ছেলেটা রাত দিন মিলে 18 ঘন্টা কাজ কর্ম করে। বাকি 6 ঘন্টা সংসারের সব কাজ রান্না থেকে শুরু করে সব কাজ করে তারপর একটু রেষ্ট নেয়। এভাবে মেয়েটার পরীক...

ভালোবাসার সম্পর্ক

একজন মানুষের অনেক সত্বা বা multy identity থাকে, এটাই স্বাভাবিক। তাই কোন মানুষকে সম্পূর্ণভাবে চেনা সম্ভব নয়। একটা উদাহরণ দিই, এক মহিলা যিনি পেশায় শিক্ষিকা, তিনি যখন পড়ান তখন এক রূপ, বাড়ীতে যখন ঘরকন্না করছেন তখন অন্যরূপ আবার তিনি যখন সন্তানের মা তখন একরূপ আবার তিনি যখন তার মায়ের কাছে যান তখন তিনি শুধু তার আহ্লাদি মেয়ে। এই বিভিন্ন রূপ এতটাই আলাদা যে ব্যক্তি তাকে যে রূপে চেনে, অন্য রূপে দেখলে তার কাছে অচেনাও লাগতে পারে। অর্থাৎ যে ছেলে মা কে স্নেহময়ী রূপে দেখে সেই ছেলে মা কে টিচার হিসাবে দেখলে হয়তো অচেনা লাগবে।বা ধরি একজন পুরুষ, যে অফিসের সামান্য বেয়ারা সে অফিসে চা করা ফাইল বয়ে নিয়ে যাওয়া এইধরনের কাজ করে, সেই লোকের রূপ বাড়িতে এসে বদলে যায়, তখন সে স্বামী, পায়ের উপর পা তুলে বসে থাকবে, বউ চা জলখাবার মুখের সামনে তুলে ধরবে। ওপরের ভূমিকাটা এইজন্যই করলাম অনেকে দাবি করে যে, সে তার আপনজনকে পুরোপুরি জানে যেটা সম্পুর্ণ ভুল ধারণা। মানুষ চেনা এত সহজ নয়। মানুষের মন বা ভাবনা বদলে বদলে যায় বিভিন্ন পরিস্থিতির ওপর। ধরুন কোনো মানুষ রাস্তা পার হয়ে গিয়ে যদি একটা গাড়ি আচমকা কাছে চলে আসে, লোকটি চিৎক...