মুক্তির আনন্দে

 

ছুটির সকালে বইয়ের পাতা ওল্টাচ্ছে সৌভিক। একমাত্র ভ্রমণের বইয়ের নেশাটা সৌভিককে কাবু করে ফেলেছে।দূরের অচেনা পাহাড়ের হাতছানিতে মনটা উদাস হয়ে যায় সৌভিকের।

কলেজের পুরোনো বিল্ডিংয়ের লম্বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে পামেলা বলেছিল, আমরা হানিমুনে পাহাড়ে যাবো। ওসব নিশ্চিন্ত টুরিস্ট স্পটে নয়, কোনো একটা নাম না জানা জায়গায়। যেখানে এখনো সন্ধে হলে ঝিঁঝিঁ ডাকে। আর হাতের চা ছলকে উঠবে বুনো হাতির ডাকে।

সৌভিক বলেছিল, তার মানে তুই অরণ্যে যেতে চাস?ঠোঁটটা কামড়ে পামেলা বলেছিল, দুটোই অরণ্য আর পাহাড়। সৌভিক বলেছিল, হানিমুনে যেখানেই যাই না কেন তুই কিন্তু ওই ব্ল্যাক নেটের নাইটিটা পরবি।

কথা শেষের আগেই সজোরে কিলটা সৌভিকের পিঠে মেরেছিলো পামেলা। জানোয়ার। শুধু বাজে কথা। 

সৌভিক ফিসফিস করে বলেছিল, ওরে পাগলী জঙ্গলে জংলী হতে হয় বুঝলি?

আনমনেই হেসে ফেললো সৌভিক।

কি গো আজ ছুটি বলে কি বিছানাতেই কাটাবে ঠিক করেছো?

ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপ নিয়ে পামেলা ঢুকলো ঘরে।

সেই কলেজের টম বয় পামেলা। আপাতত একটা গোলাপী শাড়ি পরে কপালে ঘামবিন্দু নিয়ে সাতমাসেই পুরোদস্তুর গিন্নি। 

চা টা টেবিলে রাখতেই সৌভিক ওর হাতটা ধরে হ্যাঁচকা টান মারলো। পামেলা সচকিত হয়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে বলল, দরজা খোলা সৌভিক! কি হচ্ছে?

কলেজের সেই বৃষ্টিভেজা ক্যান্টিনে একদিন সৌভিককে পামেলা বলেছিল, আজ ক্যান্টিনে কেউ আসবে না চল ওদিকটায় গিয়ে একটা জম্পেশ হাগ করি তোকে।

সৌভিক সেই চঞ্চল চোখদুটো আর দেখতে পায় না পামেলার মধ্যে। বড্ড সিঁটিয়ে যাওয়া, ভীতু দুটো চোখের চাওনি আজকাল পীড়া দেয় সৌভিককে। পামেলা সেই রূপকথার সুন্দরীর মত সুন্দরী নয়। কিন্তু সৌভিকের চোখে ওই শ্রেষ্ঠ সুন্দরী। ওর গায়ের রঙে শ্যামলা চটক।  ওর চোখ দুটো যেন অনেক না বলা কথা বলে দেয় নিমেষে।

সৌভিক অভিমান করে বললো, ধুর বড্ড বদলে গেছিস তুই। সেই গাছতলার সব চুমুগুলো অনেক বেশি রোমান্টিক ছিল জানিস পামেলা। সৌভিক বোধহয় ঠিকই দেখলো, একটা দীর্ঘশ্বাস চুপটি করে লুকিয়ে নিলো পামেলা।

বেচারি পামেলা। হোস্টেল লাইফ আর আদুরে বাপের মেয়ে হয়েই কাটিয়ে দিয়েছে বিয়ের আগের জীবনটা। বিয়ের পরে যে এত এত নিয়ম কানুন আছে সেটা বুঝতে বুঝতেই গত সাতমাসে নিজের চরিত্রটাই বদলে ফেলেছে অজান্তে।

তাও তো শাশুড়িমা প্রায় বলেন, পামেলার পায়ের আওয়াজটাই নাকি বড্ড দজ্জাল দজ্জাল। পামেলা অনেক চেষ্টা করেছে নিজের সেই টম বয় মার্কা ভাবভঙ্গী গুলোর পরিবর্তন করতে।

প্রেম করে বিয়ের এই এক অসুবিধা, নিজের বাপের বাড়িতেও মনের দুঃখের কথা বলা যায় না। তারা ব্যঙ্গ করে বলে, তুই নিজেই তো পছন্দ করেছিলি। তাই ওখানেও স্পিকটি নট।

সৌভিক চায়ে চুমুক দিতেই পামেলা বললো, আজ পুজোর বাজার করে নিয়ে এসো। জন্মাষ্টমীর পুজো করবেন মা।

সৌভিকের মা বরাবরই এইদিনে কৃষ্ণ পুজো করে থাকেন। সন্ধেবেলা পাড়ার লোকেদের প্রসাদ বিতরণও হয়। 

সৌভিক বললো, আচ্ছা পামেলা সেই যে তুই কলেজে মাঝে মাঝেই আমার গলা টিপে ধরে বলতিস, শালা শুয়োর কোনো মেয়েদের দিকে তাকালে চোখ গেলে দেবো। ওই কথাগুলো আর বলিস না কেন রে? বড্ড মিস করি যে। 

পামেলা বললো, তুমিও চেষ্টা করো বাড়িতে সকলের সামনে তুমি বলার। এমনিতেই আমরা সমবয়সী বলে প্রায় তোমার মা বলেন, এমন সমবয়সী বিয়ে নাকি সংসারে অমঙ্গল ডেকে আনে। তারপর আমার গায়ের রঙ কালো বলেও তোমার মা বলেন, ফর্সা ছেলের পাশে আমি বড়ই বেমানান। তাই বলছি, সৌভিক প্লিজ পুরোনো কথা বলে আর আমাকে বিব্রত করো না। কথাগুলো বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেছে পামেলা।

এই সাতমাসের একটু একটু করে বদলে যাওয়া পামেলাটাকে আবার আগের অবস্থায় কি করে ফেরত পাবে সৌভিক! আদৌ কি পাবে?

সৌভিকের দিদিভাই ওর থেকে প্রায় এগারো বছরের বড়। তবুও মা প্রতি কথায় পামেলাকে বলেন,তার মেয়ে কত সংসারী...কি ভীষণ বিচক্ষণ।

নিজের লংস্কার্ট, জিন্স এগুলোকে আলমারীর একটা তাকে রেখে তালা বন্ধ করে দিয়েছে পামেলা। দেখলেই বড্ড পরতে ইচ্ছে করে ওই ব্লু ট্রাউজার আর রেডিস জিন্সটা। পামেলা নিজের কানেই বহুবার শুনেছে সৌভিকের মা আর ওর বাবা আলোচনা করেছেন, ওই মিনতি মাসির জায়ের মেয়েটা কি সুন্দরী ছিল।সৌভিকের সাথে নাকি দারুন মানাতো। কিন্তু তাদের কপাল খারাপ, তাই ছেলে পছন্দ করে অমন কালো বউ বাড়িতে এনেছে।

সৌভিকের মায়ের ছেলের বউকে ঘিরে আক্ষেপের কোনো শেষ নেই যেন!

পামেলার কান্নাগুলো বড় বড় ফোঁটায় গাল বেয়ে নেমে আসে। কিন্তু সেটা কেউ দেখতে পায় না। বাথরুমের চারটে দেওয়াল সান্ত্বনা দেয়...সৌভিক তো ভালোবাসে ওকে। 


কলেজ ইউনিয়নের অফিসে একসময় পামেলা রায় নামটা এতটাই উচ্চারিত হত যে সকলেই একডাকে চিনত ওকে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে কখনো ভয় পেত না পামেলা। আজকের পামেলাকে দেখলে হয়তো তারা চিনতেই পারবে না। বাজার থেকে ফিরে ফলের থলিটা পামেলার হাতে দিতে যেতেই মা চেঁচিয়ে উঠলো,ওর হাতে দিস না খোকা, তুই গিয়ে ঠাকুর ঘরে রাখ। ওতো নিয়ম কানুন কিছুই শেখেনি রে।

ঠাকুর ঘর থেকে বেরিয়ে এসে সৌভিক বললো, মা তুমি ওই কালো মত ঠাকুরের পুজো কেন কর? দেশে কি ফর্সা ঠাকুরের অভাব আছে?

মা রেগে গিয়ে বলল, কি উল্টোপাল্টা বকছিস? ওরে কৃষ্ণ যে কালোই। তিনি যে জগতের আলো রে!

সৌভিক হাসি মুখে মায়ের দিকে তাকিয়ে বললো, শুধু ছেলের বউ কালো হলেই সে অন্ধকার বয়ে আনে মা?

মায়ের চোখ দেখেই পামেলা বুঝতে পারলো মা ভীষণ রেগে গেছে। সৌভিককে মুখে আঙুল দিয়ে চুপ করতে বললো পামেলা।

সৌভিক ওর কথা না শুনেই বললো, জানো মা পামেলা দারুন কম্পিউটার চালাতে পারে, দুর্ধর্ষ কবিতা বলতে পারে, এমন আরও অনেক কিছুই পামেলা পারে। বিয়ের আগে পামেলা বলতো, ওর নাকি ভীষণ শখ,ওর যে শাশুড়ি হবে সে  দারুন গান গাইতে পারবে। পামেলার সে শখ তো পূরণ হয়নি মা, কারণ তুমি তো গান গাইতেই পারো না। কই পামেলা তো দিনরাত বলছে না, কেন তার শাশুড়িমা গান জানে না!

তাহলে ওকে কেন চব্বিশ ঘন্টা শুনতে হয় যে ও কিছু পারে না?

কোনো কথা না বলে মা ঢুকে গেলো ঘরে।

পামেলা এসে সৌভিককেই বকতে শুরু করলো। কেন পুজোর দিনে মাকে অমন করে বললে!

কিছুক্ষণ পরেই পামেলা ফল কাটতে গেলে মা বললেন, তোমাকে আজ থেকে কিছু করতে হবে না। খোকাকে দিয়ে এতগুলো কথা শোনানোর কি সত্যিই কোনো প্রয়োজন ছিল?

না, পামেলা বোঝাতে পারেনি মাকে যে সে কিছুই বলতে পাঠায়নি।

দিদিভাইয়ের কাছেও মা পামেলার দোষ দিয়েই কেঁদেছে। বেশ কয়েকদিন হলো, পামেলাকে মা আর রান্না ঘরে ঢুকতে দেয় না। মিনুপিসি আর মা মিলেই রান্না করছে। পামেলার মনে হচ্ছে গোটা বাড়িটা যেন আঙুল তুলে তার গায়ে অপরাধীর তকমা এঁটে দিতে চায়। সৌভিক সকালে অফিস বেরিয়ে যায় ফেরে সেই সন্ধেবেলা। সারাটা দিন এই বাড়িতে কেমন যেন আত্মীয়ের মত থাকতে হয় পামেলাকে। শ্বশুরমশাই, শাশুড়ি মা নিজেদের মধ্যে গল্প করেন, প্রতিবেশীরাও মায়ের সঙ্গেই কথা বলে। যেহেতু ওরা পূর্ব পরিচিত। ফেসবুক করতেও ভালো লাগে না পামেলার।

বন্ধুদের সেই এক জিজ্ঞাসা, কি রে কেমন আছিস? যার উত্তরটা 'ভালো আছি' শুনতেই সকলে পছন্দ করে।

সৌভিক সেদিন বলছিল, দিনরাত শাড়ি জড়িয়ে রান্না ঘরের বাইরে ঘুরঘুর না করে কোনো প্রাইভেট কোম্পানী জয়েন কর। 

সৌভিক তো বলেই খালাস! এদিকে বাড়িতে ওর বাবা মা পরিষ্কার বলে দিয়েছে চাকরি করা চলবে না।


পামেলা আর রীতি কলেজে দুজনে ভীষণ বন্ধু ছিল।রীতি fb তে ছবি পোস্ট করেছে। ওর নতুন বুটিক ওপেন করেছে। রীতিই ফোনটা করেছিল পামেলাকে। কি রে তুই সেই তুলসী তলায় সন্ধে দেওয়া বউ হয়ে গেলি রে!আমার বুটিকটাই দুজনে মিলে সাজাই আয়, জয়েন কর।

কোনো উত্তর দেয়নি পামেলা।

সৌভিককে বলতেই সে তো এককথায় রাজি। সৌভিক বললো, প্রয়োজন হলে তুইও কিছু ইনভেস্ট কর। শোন পামেলা, নিজের পছন্দগুলোকে গুরুত্ব দে। নাহলে এ সংসার তোকে কিছু হতে তুলে দেবে না। স্বাধীনতা কেউ দেয় না পাগলী। কেড়ে নিতে হয়। 

পামেলা সন্ধের চা করতে রান্নাঘরে ঢুকতে যাচ্ছিল, মা বললেন, না বৌমা তুমি চা করো না। আবার হয়তো খোকা আমাকে বলবে, আমি তার বউকে রান্না করিয়ে করিয়ে গায়ের রং কালো করে দিয়েছি।

পামেলার বুক ফেটে কান্না আসছিল। তার গায়ের রং নিয়ে বিদ্রুপটা মা সুযোগ পেলেই করে।

নিজের ঘরে ঢুকে বিছানায় ধপ করে বসে পড়লো পামেলা। সৌভিকের দিদিও ফোনে প্রায় পামেলাকে পাঁচটা কথা শোনায়, মিষ্টি গলায় বুঝিয়ে দেয় পামেলা এবাড়িতে সৌভিকের দয়ায় এসেছে। সাতমাসের সব চেষ্টা বিফলে গেছে পামেলার। এবাড়ির কাউকেই সে সুখী করতে পারেনি। শুধু কারণে অকারণে তার দিকেই আঙুল ওঠানো হয়েছে।

মনেপড়ে যাচ্ছে ফেলে আসা সব দিনগুলো। বাপির গলা জড়িয়ে ধরে ঘুমানো। মায়ের হাতের খাইয়ে দেওয়া। বাপির কাছে আব্দার, ফ্রিজ খুলে লুকিয়ে সব মিষ্টি খেয়ে নেওয়া। সব সব দুষ্টুমির পরেও শুধু একটাই কথা শুনতে হত পামেলাকে,উফ বড্ড দুষ্টু মেয়েটা।

এই বাড়ির কঠিন পরিবেশে দমবন্ধ হয়ে আসছে ওর।নিজেকে বাঁচাতে অক্সিজেন চাই ওর।

ওর সব থেকে পছন্দের চুড়িদারটা পরলো পামেলা, কাঁধে ব্যাগটা ঝুলিয়ে সৌভিককে ফোনটা করলো, রীতির বুটিক জয়েন করতে যাচ্ছি। তোর কোনো সমস্যা নেই তো?

সৌভিক সেই কলেজ স্টুডেন্টদের গলাতেই বললো, জেগেছে বাঙালী। এত দিনের নিপীড়নের পর আবারও বাঙালি জেগেছে। শোন বাড়ির যে যা বলতে আসবে, বলবি আমি চাই তাই তুই করছিস। 


সৌভিকের বাবা বললেন, এসব কি বলছো তুমি? জামা কাপড়ের দোকানে চাকরি করবে?

আমাদের ইচ্ছে ছিল, আমাদের ঘরের বউ বাড়িতে থেকে ভদ্রভাবে সংসার চালাবে, আর তুমি!

পামেলা খুব নম্রভাবেই বললো, সে তো আমারও ইচ্ছে ছিল বাবা, আমার শ্বশুরমশাই পাইলট হবেন। এরোপ্লেন চালাবেন আর আমি তার সাথেই ককপিটে বসে আকাশ ধরবো। সেই ইচ্ছে কি পূরণ হয়েছে? মানুষের সব ইচ্ছে যে পূরণ হয় না বাবা। তাই আমিও যেমন মেনে নিয়েছি আপনারাও মেনে নিন আর কি করবেন?

মা বললেন, ওই সবিতার ছেলের বউমা তো কখনো এমন ব্যবসা করবে বলে লাফায়নি! তাহলে তুমি কেন...

আজ আর ওনার কথাটা শেষ করতে দিলো না পামেলা।

আসলে মা, আমার বন্ধু রেবতীর শাশুড়িমা তো এখন কাউন্সিলর। তো আপনিই বা কেন শুধু শুধু বাড়িতে বসে আছেন? চেষ্টা করে দেখুন না যদি রেবতীর শাশুড়ির মত হতে পারেন! তুলনাটা শুধু আমার বেলাতেই কেন হয় মা?

পামেলার মনে হলো, মানিয়ে নেবারও একটা লিমিট থাকা উচিত। নিজেকে আর নিজের অস্তিত্বকে বিকিয়ে দেবার নাম যদি ভালো বৌমা হয় তাহলে ঐ খেতাবটা আর জেতার ইচ্ছে নেই পামেলার। 

এবার সৌভিককে বলতে হবে,ওদের লেট হানিমুনের টিকিটটা কাটতে। হয় অরণ্যে নয় পাহাড়ে।

এতদিন মনে করেছিল, হানিমুনে গেলে সকলে যদি খারাপ ভাবে! এখন মনে হচ্ছে টুকরো টুকরো আনন্দগুলোকে আবার একত্রিত করতেই হবে। জীবনের একটা একটা দিন চলে যাবে শুধু ভালো বৌমার সার্টিফিকেট পেতে।

রাস্তার গাড়ির ধোঁয়াতেও পামেলা প্রাণ ভরে শ্বাস নিলো স্বাধীনতা লাভের আনন্দে। 

সৌভিকের ফোন....

রাস্তায় বেরিয়ে যেন কোনো ছেলের দিকে তাকাবি না শুয়োর, চোখ গেলে দেবো তোর। 

পামেলা বললো, আজ তুই বাড়ি ফিরলে আমাদের হানিমুন প্ল্যানটা সেরে নেব।

পামেলার মুখে তুই শুনেই আনন্দে লাফিয়ে উঠলো সৌভিক। আবার সেই কলেজের টম বয়টাকে ফেরত পেতে চলেছে ও। আবার সেই তুই তুই ফ্লেবার পেতে চলেছে ওদের এতদিনের প্রেমটা।

মুক্তির আনন্দে কলকাতার বিবর্ন হলুদ গাছগুলোকেও জড়িয়ে ধরে আদর করতে ইচ্ছে করছে পামেলার। 

অবশেষে ও পেরেছে .....

সৌভিক বলল, বাড়ি ফিরে তোকে আঁকড়ে ধরবো। সেই আগের তুইটাকে আর কিছুতেই হারিয়ে যেতে দেব না। 

পামেলা বলল, জড়িয়ে রাখিস আমায়, তোর আষ্টেপৃষ্ঠে। 


রাকেশ ঘোষাল

Comments

Popular posts from this blog

গ্রীষ্মের_ছুটিতে ছাত্রের লেখা খোলা চিঠি